গ্রীনবাংলা টুয়েন্টিফোর ডট কম,

মোল্লা আব্দুর রব বাগেরহাট প্রতিনিধি:  
চিতলমারীতে গত কয়েকদিনের কাল বৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে পাকা বোরো ধানের েেত পানি জমে মাঠেই নষ্ট হয়ে গেছে কোটি টাকার ধান। মাঠে কেটে রাখা ধানে অঙ্কুরোদ্গম হয়ে পাকা ধানে গজ (ভ্রুন চারা) বের হয়েছে। অনেক কৃষক তাদের গজ ওঠা ধান েেত্রর পাশে খাল ও ডোবায় ফেলে দিচ্ছেন। যা খাওয়ার অযোগ্য হয়ে গেছে। ফলে এলাকার ডুমুরিয়া, শ্রীরামপুর, কালশিরা, ভেন্নাবাড়ী, রুইয়ারকুল, বারাশিয়া, কলিগাতিসহ ১০টি গ্রামের চাষীরা চরম তির শিকার হয়েছেন। স্থানীয় কৃষি বিভাগের াকছে গিয়েও কৃষকরা কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না।  চলতি বছর এলাকায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও এভাবে ধানে গজ বের হওয়াতে খাবার ধান ও দায-দেনা শোধ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকন্ঠার মধ্যে পড়েছেন।
সরেজমিন চিতলমারী সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে শত শত বিঘা জমিতে কৃষকের ধান পানিতে ডুবে গিযে পাকা ধানে গজ (ভ্রুন চারা) বের হয়েছে। কৃষকরা তাদের গজ বের হওয়া ধান বাড়ীতে আনতেও পারছেন না। আবার যারা বাড়ীতে এনেছেন তারাও পুষ্ট ধানের পরিবর্তে নষ্ট ও গন্ধযুক্ত ধান পাচ্ছেন। যা খাওয়ার অযোগ্য হয়ে গেছে। অনেকে আবার জমিতে কেটে রাখা ধান েেত্রর পাশের খাল, নদী বা ডোবাতে ফেলে দিয়ে জমি পরিষ্কার করছেন। শ্রীরামপুর গ্রামের বোরো চাষী সুকুমার রায়, শেখর ভক্ত, আনন্দ রায়, নিমাই মন্ডলসহ অনেকে জানান, গত ৮/১০দিন আগে থেকে পর দুই তিন দিন কাল বৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি হওয়ায় তাদের জমিতে কাটা ধান আনতে পারেনি। বৃষ্টি জমিতে পানি জমে কেটে রাখা ধান ডুবে গিয়ে মাত্র চার/পাচ দিনের মধ্যেই শীষের ধানে  গজ বের হয়েছে। অনেক জমিতে চার থেকে পাচ ইঞ্চি গজও হয়ে গেছে। এ ধান তারা বাঢ়ীতে আনতে পারছেন না। তাদের মধ্যে দু/একজন বাড়ীতে আনলেও গোছা বা আটি বাধা গজ ধান থেকে নষ্ট ও দূর্গন্থযুক্ত ধান পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো খাওয়ার অনুপোযোগী। ফলে এলাকার ১০টি গ্রামের প্রাই দুই হাজার কৃষকের কোটি টাকার পাকা বোরো নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কৃষকরা তাদের সারা বছরের খাবার ও ব্যাংক ও মহাজনের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবেন তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

Share this:
Share this page via Email Share this page via Stumble Upon Share this page via Digg this Share this page via Facebook Share this page via Twitter

Comments are closed.